
দাকোপ · খুলনা · বাংলাদেশ
সুন্দরবনের কিনারায় নিরিবিলি কিছু দিন
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনের গা ঘেঁষে চার-তারকা মানের রিসোর্ট। আরামের রুম, দেশি রান্না আর সবুজের মাঝে নৌকাভ্রমণ।


স্বাগতম
বনের যত কাছে থাকা যায়
দাকোপের কৈলাশগঞ্জে আমাদের রিসোর্ট, আর সরু নদীটুকু পেরোলেই সুন্দরবন। ভোরে কাঠের জেটিতে হেঁটে আসুন, জোয়ার-ভাটায় ম্যানগ্রোভের রূপ বদলাতে দেখুন, তারপর ফিরে এসে ঠান্ডা ঘরে জিরিয়ে নিন আর গরম খাবারে বসুন।
বাগান আর পুকুরের মাঝে আমাদের ৩২টি রুম। আছে নদীর ধারে পার্ক, রেস্তোরাঁ আর ক্যাফে। পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মী, যাদের সঙ্গেই আসুন, এখানে সময়টা একটু ধীরেই কাটে।
- ৩২
- রুম, বাগানে ঘেরা
- ৭০ ফুট
- দূরেই সুন্দরবন
- প্রায় ১০০
- গুগলে ফাইভ-স্টার রিভিউ
রিসোর্টে যা যা আছে
দরকারের সবকিছু হাতের কাছেই
ভালো খাবার, পার্কিং আর আরামে থাকার আরও কিছু ব্যবস্থা।
ওয়াই-ফাই
বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই।
বিনামূল্যে পার্কিং
রিসোর্টের ভেতরেই পার্কিংয়ের ব্যবস্থা।
রেস্তোরাঁ
দিনে তিন বেলা দেশি রান্না।
ফরেস্ট ভিউ ক্যাফে
চা-কফি হাতে দৃশ্য দেখার নিরিবিলি কোণ।
কনফারেন্স রুম
লম্বা মিটিং টেবিল আর সোফাসহ আলোকিত রুম।
নামাজের ঘর
নামাজের জন্য আলাদা শান্ত ঘর।
সারাক্ষণ আলো
জেনারেটরের ব্যবস্থায় দিন-রাত আলো থাকে।
নৌকাভ্রমণ
রিসোর্ট থেকেই ছোট নৌকায় ভ্রমণ আর সুন্দরবন ট্যুর।
রুম
বিশ্রামের ঠাঁই
পরিচ্ছন্ন, নিরিবিলি রুম। নিজস্ব শাওয়ার, স্মার্ট টিভি আর ওয়াই-ফাই আছে প্রতিটিতেই। এসি বা ফ্যান, বারান্দাসহ বা ছাড়া, পছন্দমতো বেছে নিন।

সুন্দরবন
বন একেবারে হাতের কাছে
দিনটা কাটান নদীতে, সন্ধ্যায় ফিরে আসুন বাগানে।

খাবার
দেশি রান্না, টাটকা পাতে
হাঁস-মুরগির মাংস, টাটকা মাছ আর চিংড়ি, রান্না বাঙালি ঘরানায়। বাগানমুখী খোলামেলা ডাইনিং হলে পরিবেশন। প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুর আর রাতের খাবার।
অতিথিরা যা বলেন
গুগল রিভিউয়ের কিছু কথা
“সহকর্মী আর পরিবার নিয়ে দুই রাত ছিলাম। জায়গাটা দারুণ শান্ত আর নিরিবিলি, প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় কাটাতে চাইলে একদম মানানসই। সবচেয়ে ভালো লেগেছে যে ওদের নিজেদের মাছের প্রকল্প আছে, তাই পাতে সব সময় একেবারে টাটকা, সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়।”
“জায়গাটা খুব সুন্দর, পরিষ্কার আর শান্ত। নৌকায় ঘোরা, মাছ ধরা আর টাটকা সুস্বাদু খাবার, সবই দারুণ লেগেছে। সবাই খুব ভদ্র আর সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”
Kazi H. · গুগল রিভিউ (ইংরেজি থেকে অনুবাদ) “সুন্দরবনের কাছে থাকার জন্য চমৎকার জায়গা! পরিষ্কার, খাবারও ভালো। কর্মীরা খুব আন্তরিক, আতিথেয়তা প্রশংসার যোগ্য। বন্ধুদের ট্রিপ বা পরিবার, দুইয়ের জন্যই ঠিক আছে। নিরাপদও।”
Shibly S. · গুগল রিভিউ (ইংরেজি থেকে অনুবাদ) “৪৫ জন মিলে দুই রাত ছিলাম। সবাই খুব খুশি। রিসোর্টের মালিক একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক, বাকি কর্মীরাও খুবই বিনয়ী।”
Saiful I. · গুগল রিভিউ (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)
গ্যালারি
চোখ বুলিয়ে নিন
বাগান, নদী, রুম আর ওপারের সুন্দরবন।
যাওয়ার পথ
ঢাকা থেকে সাড়ে চার ঘণ্টার পথ
ঢাকা থেকে গাড়ি বা বাসে মংলা, সেখান থেকে ফেরিতে নদী পার হয়ে আরও আট কিলোমিটার। যাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে ফোন করুন, আমরা সাহায্য করব।
- ঢাকা
- প্রায় ২১০ কিমি · গাড়িতে সাড়ে চার ঘণ্টা
- খুলনা
- সুন্দরবন
- ভারত
- ভারত
- বাংলাদেশ

থাকার পরিকল্পনা
এসে একটু জিরিয়ে নিন
কবে আসছেন জানান, রুম খালি আছে কি না আর ভাড়া আমরা জানিয়ে দেব।








